চীন তাইওয়ানের কাছে সামরিক মহড়া জোরদার করায়, অস্ট্রেলিয়া বলেছে, তারা তাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও "যতটা সম্ভব শক্তিশালী" করবে।
মঙ্গলবার, অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী, রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, বেইজিংয়ের সামরিক উপস্থিতি তাঁদের জন্য "বিশাল" উদ্বেগের বিষয় এবং এই অঞ্চলের কৌশলগত পরিস্থিতিকে তা ভিন্ন রূপ দিয়েছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। কারণ তাইওয়ান দ্বীপকে চীন তার নিজেদের অংশ বলে দাবি করে।
পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে , বেইজিং তাইওয়ান প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে। তারা সেখানে জেট এবং যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে এবং বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করেছে।
মার্লেস বলেছেন, চীনের এই সামরিক কার্যকলাপ "উল্লেখযোগ্যভাবে" উদ্বেগের বিষয়।
গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া আগামী এক দশকের জন্য তাদের সামরিক সক্ষমতা পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছে।
মার্লেস অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে বলেছেন, চীনের ক্রমবর্ধমান প্রত্যয়ী ভাব , ক্যানবেরা সরকার এবং তার মিত্রদের জন্য একটি বিশাল নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
সপ্তাহান্তে, উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের সাথে অস্ট্রেলিয়াও এর নিন্দা জানায়। তবে বেইজিং জোর দিয়ে বলেছে, তারা কূটনৈতিক ধমকের "শিকার"।
বেইজিং, অস্ট্রেলিয়াকে "চীন বিরোধী" বিকারগ্রস্ত বলে অভিযুক্ত করেছে।
বিশ্লেষকরা বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের উপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপের মাধ্যমে ক্যানবেরাকে শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে চীন।
ক্যানবেরায় সম্প্রতি নির্বাচিত লেবার সরকার বলেছে, তারা চীনের সাথে তাদের ভঙ্গুর সম্পর্ক মেরামত করার মিশনে ছিল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তাইওয়ান বিষয়ে উত্তেজনা সৃষ্টির পর সেটা নিশ্চিতভাবে বেশ স্পর্শকাতর একটি প্রক্রিয়া হবে।