মালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুলায়ে ডিওপ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্টকে পাঠানো সোমবার এক চিঠিতে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে “সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে” সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন।
ঐ চিঠিতে বলা হয়েছে, ৫০টিরও বেশি বিদেশি বিমান “বিশেষ করে ফরাসী বাহিনী পরিচালিত” বিমান“ইচ্ছাকৃতভাবে মালির আকাশসীমা লঙ্ঘন” করেছে এবং বেশ কয়েকটি লঙ্ঘনের ঘটনার কথা তারা উল্লেখ করেছে।
ঐ চিঠিতে বলা হয়েছে, “মালি সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি প্রমাণ রয়েছে যে ফ্রান্স মালির আকাশসীমা সুস্পষ্টভাবেলঙ্ঘন করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছেসাহেলে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলির সুবিধার জন্য এবং তাদের কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলার জন্য ব্যবহার করেছে।
মালিতে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাস বুধবার এক টুইট বার্তায় ঐসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ফ্রান্স “মালির কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ২০১৩ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তারা মালিতে হস্তক্ষেপ করেছে এবং তারা কখনোই 'প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঐসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সমর্থন করেনি।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ফেব্রুয়ারি মাসে মালি থেকে ফরাসি সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন,সেনা প্রত্যাহার শেষ হতে চার থেকে ছয় মাস সময় লাগবে । ফ্রান্স ও মালির সামরিক সরকারের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং উদ্বেগের পর মালি ক্রেমলিনের সাথে যুক্ত রাশিয়ারবেসরকারী সামরিক সংস্থা ওয়াগনার গ্রুপের রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনীর সাথে কাজ করছে।
ফ্রান্সের সশস্ত্র মন্ত্রক সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফ্রান্সের সব বাহিনীই দেশ ত্যাগ করেছে।
এই মাসে মালির বামাকোর বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তারা রাশিয়ার কাছ থেকে বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান গ্রহণ করে যা ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে মালির নতুন মিত্রের কাছ থেকে সরঞ্জাম এবং অস্ত্রের একাধিক চালানের মধ্যে ছিল সাম্প্রতিকতম।